চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নে সালিশ বৈঠকের সময় আলিমুদ্দীন (৫২) নামের এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৮ মে) রাত ৯টার দিকে শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান মহিউল আলম সুজন–এর উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলিমুদ্দীন শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং কুমিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুট্টা বিক্রির পাওনা প্রায় ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আলিমুদ্দীনের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
পরিবারের দাবি, একই গ্রামের লিয়াকত আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই কালু মণ্ডল বলেন, সালিশ বৈঠকের মধ্যেই সবার সামনে তার ভাইকে মারধর করা হয় এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। মিজান রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

