কক্সবাজারে তরুণদের সৃজনশীল চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্যামেরার গাঁথি: শান্তির গল্প ২০২৫’-এর প্রিমিয়ার শো, সার্টিফিকেট ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান।
‘Empowering Youth Voices for Inclusive Governance in Cox’s Bazar through Youth-Led Films & Community Discussions’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেলে আয়োজিত হয় জমকালো অনুষ্ঠান। ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভ এবং হাইকমিশন অব কানাডা ইন বাংলাদেশের সহায়তায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি ছিলেন টুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি (কক্সবাজার রিজিয়ন) আপেল মাহমুদ। তিনি বলেন, তরুণদের নির্মিত চলচ্চিত্র কক্সবাজারের সৌন্দর্য ও শান্তির বার্তা বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান হাইকমিশন অব বাংলাদেশ-এর পলিটিক্যাল কাউন্সিলর মার্কাস ডেভিস। তিনি তরুণদের এই সৃজনশীল অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের চলচ্চিত্র কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, উন্নয়নকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিমিয়ার শোতে ফেলো ও লার্নারদের নির্মিত দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র— “প্রহর” ও “স্বপ্নজয়ী” প্রদর্শন করা হয়। “প্রহর” চলচ্চিত্রে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে “স্বপ্নজয়ী” চলচ্চিত্রে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও নাগরিক দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাগিব হাসান এবং পিস এম্বাসাডর নাদিয়া হোসাইন সৌরভী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মাঝে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

