বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক চিফ হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদের তৃতীয় দফা নামাজে জানাজা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাকে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বাদ জোহর শহরের নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শেরপুরে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
এর আগে মরহুমের রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন তার বড় ছেলে, কানাডাপ্রবাসী চিকিৎসক আসিফ হারুন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এম এ মান্নান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোবারক হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
জানাজা শেষে জেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।
জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, “হারুন আল রশিদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতির অভিভাবক। দলের দুর্দিনে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মৃত্যু শুধু বিএনপির নয়, পুরো জেলার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।”
এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার প্রথম ও দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

