মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকের আগে বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে পতাকা হাতে শিশুদের স্বাগত জানানো দৃশ্য ট্রাম্পকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের চেয়েও অনেক বেশি ভালো হবে এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারা তার জন্য সম্মানের বিষয়।
দুই নেতার মধ্যে রুদ্ধদ্বার এই বৈঠক দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে। ট্রাম্প একে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বড় আলোচনা হিসেবে উল্লেখ করেন। আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, তাইওয়ান ইস্যু, বাণিজ্য সম্পর্ক এবং শুল্কনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক, এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং, অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক এবং গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড সলোমন।
ব্যবসায়িক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে ইলন মাস্ক সাংবাদিকদের বলেন, “অনেক ভালো কিছু হতে যাচ্ছে।” একইভাবে জেনসেন হুয়াং আলোচনাকে “অবিশ্বাস্য” বলে মন্তব্য করেন।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফর করলেন। এবারের সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প ছিলেন না। তবে তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং পুত্রবধূ লারা ট্রাম্প।
বর্তমান বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র–চীন বাণিজ্য সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

