বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দৃঢ় কণ্ঠে বলেছেন, নির্ধারিত সময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু আরোগ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১, ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বর এবং ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি গণআন্দোলনে প্রমাণিত হয়েছে- জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে জনতার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারে না। তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণকে ভয় দেখাতে চায়, তারা অবশ্যই ব্যর্থ হবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কেবল একটি নির্বাচন নয়- এর সঙ্গে জড়িত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা, দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। তিনি বলেন, আগামী দশক হবে বাংলাদেশের রূপান্তরের দশক এবং নারী, তরুণ, কৃষক ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়েই দেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএনপি।
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হত্যাচেষ্টার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এটি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন ব্যর্থ হলে কারা লাভবান হবে- সেই প্রশ্নের মধ্যেই ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় লুকিয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, বিজয়ের বার্তাকে শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে বিজয়ের সুফল জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও ধানের শীষে জনগণের সমর্থন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।
রিপোর্ট : জেড.এস

