ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সিনিয়র–জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে মারধর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
রোববার (১৭ মে) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুমতি বাস-এ প্রথমে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহগামী বাসে শিক্ষার্থীদের উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও গান-বাজনাকে কেন্দ্র করে বিরক্তি থেকে বাকবিতণ্ডার শুরু হয়। এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে, যা পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনায় জড়িত হিসেবে কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন সাইমুন আহাম্মেদ হৃদয় (লোকপ্রশাসন বিভাগ), জিহাদ (ম্যানেজমেন্ট বিভাগ) এবং অন্তর বিশ্বাস (বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ)।
সংঘর্ষের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আহত হন। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে যান বলে জানা গেছে। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ভাঙচুরের অভিযোগও উঠে।
বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের সহপাঠীকে মারধর ও গলা চেপে ধরা হয় এবং পরে ক্যাম্পাসে এসে আবারও হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমরা দুই বিভাগের সভাপতি, শিক্ষার্থী ও প্রক্টরিয়াল বডি একসঙ্গে বসেছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

