ঘটনাবহুল একটি দিন পার করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেটারদের ডাকে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের কারণে মাঠে গড়ায়নি বিপিএলের কোনো ম্যাচ। পরে নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের পর বিপিএলের চলমান আসর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সূচি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করায় টস পর্যন্ত হয়নি। ক্রিকেটাররা মাঠে না আসায় স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে থাকা দর্শকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
একপর্যায়ে কিছু মানুষ স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। পরে স্টেডিয়ামের সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে ক্রিকেটারদের দাবির মুখে এম নাজমুল ইসলামকে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বোর্ড। প্রথম ধাপে তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং বিসিবির ফাইন্যান্স কমিটি থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তবে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে। নাজমুল ইস্যুতে যদি বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ ও সাপোর্টিং স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকেই দিতে হবে। যার মোট পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

