
বঙ্গোপসাগরে লক্ষ্মীপুরের রামগতির জেলে মফিজ মাঝির জালে প্রায় সাড়ে ৩ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ ধরা পড়েছে। অজি উল্যাহ নামে এক ব্যবসায়ী ডাকে (নিলাম) মাছটি কিনে নিয়েছেন।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ইলিশটি রামগতির মাছঘাটে হেলাল বেপারীর আড়তে নিয়ে আসলে ডাকে (নিলাম) ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে৷
এদিকে মধ্যরাত থেকেই মা ইলিশ সংরক্ষণে মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সকল প্রজাতি মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরের মাছঘাটগুলোতে দিনব্যাপী ইলিশ ক্রেতাদের ভীড় ছিল বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।
মফিজ মাঝি বলেন, ১০ জন জেলেকে নিয়ে ৩ দিন আগে সাগরে মাছ শিকারে যাই। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে সাগরে জাল ফেললে বড় ইলিশটি ধরা পড়ে। তিনি রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ব্যবসায়ী মুসা আহম্মেদ হিমু বলেন, মধ্যরাত থেকেই নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ। এতে টানা ২২ দিন লক্ষ্মীপুরের মাছঘাটগুলো বন্ধ থাকবে। অভিযানের আগে ঘাটে এতো বড় একটি ইলিশ সত্যিই ভালো লেগেছে। মফিজ মাঝি ইলিশটিসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছে।
আড়তদার হেলাল ব্যাপারী বলেন, মফিজ মাঝি সাগরে মাছ শিকার করেন। অনেকগুলো ইলিশ নিয়ে তিনি আড়তে আসেন। এরমধ্যে বড় ইলিশটি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমার আড়তে এই প্রথম একটি ইলিশ মাছ এতো দামে বিক্রি হয়েছে।
অজি উল্যাহ ব্যাপারী বলেন, ইলিশটির ওজন প্রায় সাড়ে ৩ কেজি। মাছটি ১০ হাজার টাকায় আমি কিনে ঢাকায় মোকামে পাঠিয়েছি। আশা করছি ইলিশটি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো৷ এতো বড় ইলিশ মাঝে মধ্যে ধরা পড়ে। মোকামে বড় ইলিশের দাম বেশি, চাহিদাও বেশি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, বড় ইলিশের বিষয়টি শুনেছি। মা ইলিশ সংরক্ষণে মধ্যরাত থেকেই নদীতে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা ২৫ অক্টোবর রাত পর্যন্ত জারি থাকবে। এসময় নদীতে মাছ শিকার, বিক্রি, ক্রয় ও পরিবহণ করলেই জেল-জরিমানা ও উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
