ইরানের সঙ্গে চলমান সংকট দ্রুত সমাধানে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার লক্ষ্য দ্রুত হরমুজ প্রণালী খুলে দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখা। তবে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কার্যকর চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি এখনও জটিল রয়ে গেছে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস বুধবার (৬ মে) জানিয়েছে, ইরানের কাছে এক পাতার ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক পাঠানো হয়েছে। খসড়া এই চুক্তি উভয় পক্ষ থেকেই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানকে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান যদি চুক্তি মেনে নেয় তবে তারা অন্যান্য দেশের মতোই হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু সমঝোতায় না এলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ আবারও শুরু হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “ইরান যদি সমঝোতায় না আসে, তাহলে বোমাবর্ষণ শুরু হবে এবং তা আগের চেয়ে আরও বেশি মাত্রা ও তীব্রতায় পরিচালিত হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আলোচিত শর্তগুলো ইরান মেনে নিলে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়ে যাবে। তবে চুক্তি না হলে সামরিক অভিযান আরও কঠোরভাবে পুনরায় শুরু হবে এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ইতোমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই সামরিক পর্যায়ের এই অভিযান শেষ করা হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমঝোতা নাকি সামরিক উত্তেজনা— কোন পথে যাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে।

