জাতীয়
শুধু গুম-খুন নয়, লুটপাটের রানিও ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীতেই তার ও তার পরিবারের শতকোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা…
২০৩০ সাল নাগাদ দক্ষিণ এশিয়ার ৯০ ভাগ জনগণ তীব্র তাপদাহের ঝুঁকিতে থাকবে। চার ভাগের এক ভাগ থাকবে বন্যার ঝুঁকিতে। সোমবার…
জুলাই-আগস্টে রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যায় অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, সাবেক মেজর মো. রাফাত বিন আলম, খিলগাঁওয়ের…
চট্টগ্রামের লালদিয়া চর টার্মিনালকে ৩৩ বছর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কন্টেইনার টার্মিনালকে ২২ বছরের জন্য ডেনমার্কভিত্তিক কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ও বে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বন্দর রক্ষা ও করিডোর বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক সভাপতি ডা. এম এ সাঈদের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন রেজা, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ–বিসিএলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। রুহিন হোসেন প্রিন্স অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা অমান্য করছে। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পরে ড. ইউনূস দেশে ফিরেই চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আজ ১৯ বছর পরে এসে তিনি বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করছেন। জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাবেদারি করতেই বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার চুক্তি থেকে সরে না আসলে হরতাল, অবরোধের মত কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. এম এ সাঈদ বলেন, দেশের সকল জাতীয় ও কৌশলগত সম্পদের মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের নেই। সরকার যে অজুহাতে বন্দর ইজারা দিতে চায় সেটি যুক্তিযুক্ত নয়। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বন্দর পরিচালনা করতে হবে। আগামীদিনে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহীন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. এসএম ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ–বিসিএলের সভাপতি গৌতম শীলসহ অন্যান্য নেতারা। সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্বর থেকে পুরানা পল্টন, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টনে এসে একটি মশাল মিছিল শেষ হয়।
নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরকে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ…
২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং…
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। নরসিংদীর মাধবদীতে উৎপত্তি হওয়া ওই কম্পনে সারাদেশে সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া…
মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংক্রান্ত চুক্তির সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।…
চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। গত অর্থবছরের এই সময়টায় দেশে তখন তুমুল অস্থিরতা চলছিল; দেশের অর্থনীতি একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) প্রকাশিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাময়িক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এক লাখ ১৯ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। গত অর্থবছরের এই সময়টায় জুলাই অভ্যুত্থান আর ক্ষমতার পালাবদলের মধ্যে দেশে চলছিল তুমুল অস্থিরতা। সহিংসতা আর অনিশ্চয়তায় দেশের অর্থনীতি একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছিল। ওই পরিস্থিতির মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এক লাখ তিন হাজার ৪০৯ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৭ দশমিক ৭ কোটি টাকা। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে রয়েছে এনবিআর। এ সময় সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি মিলেছে স্থানীয় পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর খাতে। আহরণ হয়েছে ৪৬ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা; আর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ১১ শতাংশ। মদানি ও রপ্তানি খাতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে ৩৪ হাজার ৭৫১ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ হয়, যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে মাত্র ২ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৯ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর মাধ্যমে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
