বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিষয়টি শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগসংক্রান্ত চলমান মামলার অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
দুদকের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা মোট ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আবুল খায়ের হিরুর মাধ্যমে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন সাকিব আল হাসান। পরে তিনি বাজার কারসাজিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে প্রলুব্ধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগকে ঘিরে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের খবর প্রচারিত হলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, বিষয়গুলো তদন্তাধীন রয়েছে এবং দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা ও একটি চেক বাউন্সের মামলাও রয়েছে। তবে চেক বাউন্সের ঘটনাটি ব্যাংকিং লেনদেনসংক্রান্ত একটি সাধারণ বিষয় এবং তা নিয়মিতভাবে সমাধানযোগ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাকিব জানান, তদন্তের স্বার্থে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি। তার মতে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

