খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা নতুন শিল্পনগরীতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও–এ নবনির্মিত বিসিক শিল্পনগরী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই শিল্পনগরী মূলত কৃষিনির্ভর ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানকার আলু, চা ও দুগ্ধভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তিনি আরও জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে আগে থেকেই একটি ইপিজেড সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নতুন এই শিল্পপার্ক সেই ধারাবাহিকতায় বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের গতি আরও বাড়াবে। ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোক্তা এখানে প্লট নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বেকারত্ব দূর করতে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপন ছাড়া বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যেই শিল্পনগরীটি গড়ে তোলা হয়েছে। ভবিষ্যতে সফলতা পেলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও একই ধরনের বিশেষায়িত শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঠাকুরগাঁওয়ে উৎপাদিত মোজারেলা চিজ ইতোমধ্যে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। পাশাপাশি সমতলের চা চাষেও বড় অগ্রগতি হয়েছে। কয়েকজন বড় উদ্যোক্তা বছরে প্রায় ১৯ লাখ কেজি চা প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করছেন বলেও তিনি জানান।
দেশের উদ্বৃত্ত আলু ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চিপস ও পটেটো ফ্লেক্স তৈরির জন্য উপযুক্ত আলু উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে। এজন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং পদ্ধতি চালু করা হবে।
জানা গেছে, প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই শিল্পপার্কে মোট ২৫১টি প্লট রয়েছে। বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাইলে একাধিক প্লটও বরাদ্দ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা।

