খাগড়াছড়ির গুইমারায় মারমা সম্প্রদায়ের এক বিধবা নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ম্রাচাই মারমা (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুন গুইমারার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সী ওই মারমা নারীকে বড়ইতলী গ্রামের ম্রাচাই মারমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। ওই দিন রাতেই তাকে হাটহাজারী এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে ম্রাচাই মারমাসহ চারজন মিলে ওই নারীকে গণধর্ষণ করে।
ভিকটিমের ছোট ভাই গণমাধ্যমকে জানান,
“ম্রাচাই মারমা আমাদের পাশের গ্রামের বাসিন্দা। সে আমার বোনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রাম নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চাকরি না দিয়ে হাটহাজারীতে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে।”
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে গণধর্ষণের এই ঘটনায় ভিকটিমের ছোট ভাই বাদী হয়ে গুইমারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ওসি আরও জানান, মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত এবং মামলায় অভিযুক্ত বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সর্বশেষ
শুক্রবার, জুন ১৯

