যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনা করছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবটির বিষয়ে ‘যথাসময়ে’ আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত সময়সীমা বা চাপ সৃষ্টির কৌশলকে গুরুত্ব দিচ্ছে না তেহরান। তিনি বলেন, “এসব সময়সীমা বা চাপ সৃষ্টির কৌশলের কাছে ইরান নতি স্বীকার করবে না।”
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত চুক্তিটি অত্যন্ত কারিগরি ও জটিল হওয়ায় সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগছে। এছাড়া, দেশটির ক্ষমতার বিভিন্ন স্তরের অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ প্রক্রিয়ায় পার্লামেন্টের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি–এর অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
খামেনির চূড়ান্ত সম্মতির পরই ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে, সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের দেওয়া প্রস্তাবের বিষয়ে দ্রুত তেহরানের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোম–এ সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের জবাবে কী থাকছে, তা দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তেহরানের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হবে এবং তা উভয় পক্ষকে একটি গুরুতর ও ফলপ্রসূ আলোচনার পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

