ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যকার বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সরাসরি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছেন ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শান্তির পথে প্রধান অন্তরায়
গিডিওন সার দাবি করেন, লেবানন রাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরাইলের কোনো মৌলিক বা দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ নেই। বরং হিজবুল্লাহর উপস্থিতিও তাদের কর্মকাণ্ডই দুই দেশের স্বাভাবিক সম্পর্কের পথে প্রধান অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন:
“ইসরাইল লেবাননের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। কিন্তু হিজবুল্লাহর সশস্ত্র তৎপরতা এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
লেবাননের সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, হিজবুল্লাহ শুধু ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি নয়, বরং এটি লেবাননের নিজস্ব সার্বভৌমত্বের জন্যও একটি বিশাল সংকট। তাঁর মতে, গোষ্ঠীটি লেবাননের রাষ্ট্রীয় স্বার্থের চেয়ে বহিরাগত এজেন্ডা বাস্তবায়নে বেশি তৎপর, যা দেশটির স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করছে।
বৈঠকের গুরুত্ব
ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। গিডিওন সারের এই কড়া মন্তব্য বৈঠকের আগে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইল এই বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে চাইছে যে, তাদের সংঘাত লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে।

