জ্যান্ত মানুষকে কবরে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে এমন দৃশ্য আমরা থ্রিলার সিনেমায় দেখি। কিন্তু যদি দেখেন, নিজের ঘরের মেঝেতে সাত ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে তার ভেতরেই স্বেচ্ছায় আসন গেড়ে বসে আছেন এক তরুণী? না, কোনো অতিপ্রাকৃত কাহিনী নয়, বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে দাঁড়িয়েই এমনই এক শিউরে ওঠা ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল সুনামগঞ্জ।
আপস
ঘটনাটি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ফিরোজপুর এলাকার। সেখানে অবনী চন্দের মেয়ে পান্নারানী চন্দ দীর্ঘ ৪ দিন ধরে মাটির নিচে এই অন্ধকার গর্তে মগ্ন রয়েছেন ‘তপস্যায়’। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গর্তের ভেতরে দেবতা নারায়ণের ছবির সামনে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে ধ্যানমগ্ন হয়ে আছেন ওই তরুণী।
আপস
ঘটনাটি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ফিরোজপুর এলাকার। সেখানে অবনী চন্দের মেয়ে পান্নারানী চন্দ দীর্ঘ ৪ দিন ধরে মাটির নিচে এই অন্ধকার গর্তে তপস্মযায় মগ্ন রয়েছেন। মেয়েটির বাবা অবনী চন্দের দাবি, এটি কোনো উন্মাদনা নয়, বরং ধর্মীয় আদেশ। স্বপ্নযোগে নাকি প্রভু নারায়ণ পান্নাকে ২১ দিনের সাধনার নির্দেশ দিয়েছেন। বাবার ভাষ্যমতে, মেয়ের ইচ্ছাতেই তিনি ঘরের মেঝেতে এই গর্ত খুঁড়ে দিয়েছেন। কেবল আহার আর প্রাকৃতিক কাজের সময়টুকু ছাড়া দিন-রাত ওই কবরের অন্ধকারেই কাটছে তরুণীর সময়। কারো সাথেই কথা বলছেন না তিনি।
আপস
ঘটনার খবর চাউর হতেই ওই বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন কৌতূহলী মানুষ। কেউ একে ধর্মীয় গোঁড়ামি বলে ধিক্কার দিচ্ছেন, আবার কেউবা দেখছেন অলৌকিক দৃষ্টিতে। সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এই অদ্ভুত সাধনা ঘিরে।
আপস
বিষয়টি ধর্মীয় দিক থেকে সংবেদনশীল হওয়ায় এখনই কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছে না পুলিশ। সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন সেখ জানিয়েছেন, তাঁরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বিষয়টি নিয়ে সনাতনী পণ্ডিত ও ধর্মীয় বোদ্ধাদের শরণাপন্ন হবেন।

