
সাড়ে তিন দশক পর আগামীকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন।এর মধ্য দিয়ে এক বছরের জন্য গঠিত হচ্ছে ২৬ সদস্যের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই মেয়াদে ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলেও গঠিত হচ্ছে সংসদ। আর চাকসু মনোনীত পাঁচ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম—সিনেটের সদস্য। নির্বাচন আয়োজন সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনে থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, থাকবে ম্যাজিষ্ট্রেট।
১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে মাত্র ছয়বার।এর মধ্যে প্রথম নির্বাচনটি হয় ১৯৭০ সালে। আর চাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী। ওই নির্বাচনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্র শিবির কে পরাজিত করে চাকসু ও হল সংসদে নিরুংকুশ সংখ্যাঘরিষ্টতা অর্জন করে।
আগামীকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল কাংখিত চাকসু নির্বাচন। এরমধ্যে মঙ্গলবার শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। তফসিল অনুযায়ী এখন চলছে ভোট গ্রহনের প্রস্তুতি। চাকসু নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রার্থীরা কেউ কেউ সন্তোষ প্রকাশ করলে আবার অভিযোগ ও আছে কোন কোন প্রার্থীর। তবে, তাদের আশা সকল বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল ভোট আয়োজন করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,৫টি ফ্যাকাল্টিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। এসব ফ্যাকাল্টির ৬০ কক্ষে ৭০০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসা যাওয়ার জন্য বাড়তি শাটল ট্রেন ও বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো ভোট কেন্দ্র থাকবে সিসিটিভির আওতায়।
এবার চাকসুর সপ্তম নির্বাচনে ভোটার ২৭ হাজার ৫১৬ জন। যাতে ভিপি-জিএসসহ কেন্দ্রীয় সংসদে পদ ২৬টি। ১৫ হল ও হোস্টেল সংসদে পদ ১৪টি করে। যার বিপরীতে প্রার্থী ৯০৮ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলে প্রার্থী ৪১৫। প্রতিটি ভোটার ৫টি ব্যালটে চাকসু ও হল সংসদে ৪০জন প্রার্থীকে ভোট দিবেন।
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সাদা পোশাকের পাশাপশি কাজ করবে ৮টি টিম
মাসুদ হাসান

