প্রতিবেদন:
বাণিজ্য উত্তেজনার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। দুই দেশই পরস্পরের পণ্যের ওপর নতুন করে বন্দর ফি ও সারচার্জ আরোপ করেছে। এতে বৈশ্বিক বাণিজ্যে আবারও অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, চীনা পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ বন্দর ফি আরোপ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, চীন অন্যায্য ভর্তুকি ও কম মূল্যে রপ্তানির মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা নষ্ট করছে।
অন্যদিকে, এর জবাবে চীনও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কৃষিপণ্য, প্রযুক্তি যন্ত্রাংশ ও গাড়ির ওপর সমপরিমাণ ফি বসানোর ঘোষণা দিয়েছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, “যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ন্যায্যতা লঙ্ঘন করছে, তাই চীনও উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া দিতে বাধ্য হয়েছে।”
বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও কৃষিপণ্য খাতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে।
এদিকে, মার্কিন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, নতুন ফি আরোপের ফলে ভোক্তামূল্য বাড়বে এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ চলছে। সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
নীল

