ঢাকা, রোববার: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিগত সময়ে পাশের হার বাড়ানোর জন্য পরীক্ষার খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করেই অনেক শিক্ষার্থীকে পাশ করানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কী লিখেছে তা যাচাই না করেই নম্বর দেওয়ার প্রবণতা ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটরিয়ামে ঢাকা অঞ্চলের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। বিদ্যুৎ বা প্রযুক্তিগত কোনো সমস্যার অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করা হয়। প্রয়োজনে আর্কাইভ ফুটেজ পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
এছাড়া খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা আনতে র্যান্ডম চেকিং এবং পুনঃপরীক্ষণ (রি-এক্সামিনেশন) ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। এতে কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও সময়সূচি পূর্ববর্তী সরকার নির্ধারণ করে গেছে এবং এতে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। তাই এবারের ফলাফল কেমন হবে, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।
এ সময় তিনি আগামী ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষকদের বেতনসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির সংবাদ দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

