কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো— স্থানীয় দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মানিক ওরফে কাবিলা, আবদুল আজিজের ছেলে তারেক এবং আরমান।
নিহত শিশুর নাম ওয়াহিদুল ইসলাম। সে ওই এলাকার তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে।
নিখোঁজের পর ডোবায় মিলল লাশ
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা থেকে ওয়াহিদুল নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় (ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি ছোট খাল) তার লাশ দেখতে পান স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পূর্ব বড়ভেওলা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হারুনুর রশিদ জানান, সকালে স্থানীয় লোকজন শিশুটির লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার
নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি জানান, শিশুটিকে তিনজন মিলে নিপীড়নের পর হত্যা করেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিন ব্যক্তি পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।”

