বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১০০০তম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখল জাপান। তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শুধু গুরুত্বপূর্ণ জয়ই পায়নি ব্লু সামুরাইরা, গড়েছে নতুন ইতিহাসও। বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে প্রথম এশিয়ান দল হিসেবে চার গোল করার কীর্তি গড়েছে জাপান।
প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে গ্রুপের শীর্ষ দুইয়ে উঠে এসেছে এশিয়ার পরাশক্তিরা। অন্যদিকে টানা দুই হারে বিশ্বকাপ থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তিউনিসিয়ার।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জাপান। ম্যাচের মাত্র তিন মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে কেইতো নাকামুরার বাড়ানো বলে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে লিড এনে দেন।
প্রথম গোলের পরও থেমে থাকেনি জাপান। একের পর এক আক্রমণে চাপে রাখে তিউনিসিয়াকে। নবম ও দশম মিনিটে একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও গোলরক্ষক ডাহমেনের দৃঢ়তায় তখন রক্ষা পায় আফ্রিকান দলটি।
তবে ৩১ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। ২-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় জাপান।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছন্দ ধরে রাখে জাপান। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মাঝমাঠ থেকে আসা নিখুঁত পাস ধরে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে তৃতীয় গোল করেন জুনইয়া ইতো।
এরপর ৮৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন উয়েদা। ডান পাশ থেকে কাইশু সানোর ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে জাপানের ৪-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এই জয়ে শেষ বত্রিশে ওঠার আশা আরও উজ্জ্বল হলো জাপানের। অন্যদিকে দুই ম্যাচে মাত্র এক গোল ও দুই হার নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেল তিউনিসিয়ার।

