বরিশালের গৌরনদীতে অপচিকিৎসার কারণে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর গর্ভের সন্তান মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শনিবার (১৬ মে) ভুক্তভোগী রুনা আক্তারের (৩২) বাবা দেলোয়ার হোসেন গৌরনদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উপজেলার আশোকাঠি এলাকার মৌরী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তিনজনকে দায়ী করা হয়েছে। তারা হলেন— ক্লিনিকের আরএমও ডা. মো. জামাল হুসাইন, মালিক মাহমুদুল হাসান মুহিত এবং ম্যানেজার লিটন।
ভুক্তভোগীর মা মেরিনা বেগম বলেন, ৩ মে পেটে ব্যথা শুরু হলে রুনাকে ওই ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করার মতো চিকিৎসক না থাকায় কোনো পরীক্ষা ছাড়াই ওষুধ ও ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
পরবর্তীতে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে জানা যায়, গর্ভের সন্তান আগেই মারা গেছে। এরপর তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত সন্তান প্রসব করান।
অভিযুক্ত ডা. মো. জামাল হুসাইন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সঠিক চিকিৎসাই দিয়েছেন এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে মীমাংসা হয়েছে।
ক্লিনিকের মালিক মাহমুদুল হাসান মুহিতও একই দাবি করেছেন।

