ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি তাঁবুতে ইসরাইলি হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। একই সঙ্গে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, দখলদার ইসরাইল গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে দুর্বল করে শেষ পর্যন্ত ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
শনিবার (৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা সিটিতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হামাস একে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত আরেকটি ‘গণহত্যামূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “ইসরাইলি দখলদার বাহিনী শিশু ও নারীদের ওপর ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। এটি বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে চলমান ধ্বংসাত্মক যুদ্ধেরই অংশ।”
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় মিসরের রাজধানী কায়রোতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছিল।
হামাসের দাবি, গত বছর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইল বারবার গাজায় হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে হামাস আরও অভিযোগ করে, “এই হামলা প্রমাণ করে যে, দখলদার ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে দুর্বল করে দিতে এবং শেষ পর্যন্ত তা ভেঙে ফেলতে কাজ করছে।”
তবে হামাসের এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। গাজায় চলমান সংঘাত ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

