চীনের প্রশাসনিক উচ্চস্তরে শুদ্ধি অভিযান বা রদবদলের অংশ হিসেবে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইদংকে পদচ্যুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার চীনের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ:
সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী: চীনের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা স্টেট কাউন্সিল।
অপসারণের কারণ: সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ বা অপসারণের সঠিক তারিখ জানানো হয়নি।
সর্বশেষ কার্যক্রম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী, গত ১৩ মার্চ ব্রুনাই ও মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকের পর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
রদবদলের প্রেক্ষাপট
সাম্প্রতিক সময়ে চীনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে। সান ওয়েইদংয়ের অপসারণকে সেই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য যে, পদচ্যুত হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে তিনি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত খলিল হাশমির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছিলেন।
অন্যান্য অপসারণ
একই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, দেশটির পরিবহন খাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। জাতীয় রেল প্রশাসনের উপ-পরিচালক আন লুশেংকেও তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গত এক বছরে চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেশ কিছু হেভিওয়েট নেতাকে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক ধরনের অস্বচ্ছতা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

