বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে ব্রাজিল শিবিরে এসেছে বড় স্বস্তির খবর। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় নেইমার জুনিয়রের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)।
গত মাসে স্ক্যান পরীক্ষায় নেইমারের পায়ের পেশিতে দ্বিতীয় ডিগ্রির মাংসপেশির ছিঁড়ে যাওয়ার (মাসল টিয়ার) সমস্যা ধরা পড়ে। তখন চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, সুস্থ হতে তার অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এতে বিশ্বকাপে তার অংশগ্রহণ নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
তবে সোমবার (৯ জুন) করা সর্বশেষ এমআরআই পরীক্ষার প্রতিবেদনে কিছুটা স্বস্তির তথ্য পাওয়া গেছে। সিবিএফ জানিয়েছে, তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে এবং চিকিৎসক দলের প্রত্যাশামতো উন্নতি দেখা যাচ্ছে।
নেইমারের অনুপস্থিতিতেও প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ব্রাজিল। তারা পানামাকে ৬-২ এবং মিশরকে ২-১ গোলে পরাজিত করে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে।
আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমার প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে চিকিৎসকরা তার দ্রুত সুস্থতার বিষয়ে আশাবাদী।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চোট যেন নেইমারের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে হাঁটুর গুরুতর চোটের পর সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল এবং শৈশবের ক্লাব সান্তোসে খেলাকালীন সময়েও একাধিকবার তিনি মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হন।
৩৪ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান তারকার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েই আগে থেকেই সংশয় ছিল। তবে ব্রাজিলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি তার ওপর আস্থা রেখে দলে রেখেছেন।
ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমারের এটি হবে ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

